গবেষণার উপর ভিত্তি করে সন্তান বড় করার দশটি ধাপ নিয়ে আলোচনা করো হলো । প্রথম অংশ দেয়া হলো এ পোস্টে ।
জীবন যেমন, জীবন যেমন হতে পারে
গবেষণার উপর ভিত্তি করে সন্তান বড় করার দশটি ধাপ নিয়ে আলোচনা করো হলো । প্রথম অংশ দেয়া হলো এ পোস্টে ।
এই লকডাউনে অনেকেই অনলাইনে উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে। ব্যাপারটা ভীষণ ভালো। এভাবে যেমন অনেক মানুষ নিজেদের ইনডিপেন্ডেন্টলি রোজগারের ব্যাবস্থা করে নিচ্ছে তেমনি কনজিউমাররাও সময় বাঁচিয়ে নিজেদের প্রোয়জনীয় জিনিস বাসায় বসে পাচ্ছে। সাথে অনেক স্টুডেন্ট পার্টটাইম জব হিসেবে ডেলিভারির কাজে নিযুক্ত হয়ে নিজের হাত খরচের ব্যাবস্থা করতে পারছে। করোনা চলে গেলেও করোনার আগে থেকেই অনলাইনে কেনা-বেচার যে মার্কেটপ্লেস তৈরী হয়েছে তা আসলে আরো বিস্তারলাভ করবে। কিন্তু সব বিসয়েরই দুটো দিক আছে। তাই খারাপটা বলার আগে ভালোটা বলে নিলাম, নইলে অনলাইন উদ্যোক্তারা আমাকে পেটাতে পারে!
অভ্র দুটো ব্যাপারে খুবই সৌখিন । তার চুল আর জুতা । চুল তার ছোট করা যাবে না, ন্যাড়া করার তো প্রশ্নই উঠে না । সে কখনই মাথা ন্যাড়া করেনি, একবারও না । চুল দিয়ে তার কপাল ঢেকে থাকতে হবে । আর জুতা কিনতে হবে তার পছন্দ মতো । তার অন্য যে কোন কিছু একটা হলেই হলো, কোন সমস্যা বা অভিযোগ নেই । কিন্তু জুতা হতে হবে তার নিজের পছন্দ মতো । নিজে গিয়ে ট্রায়াল দিয়ে দেখে-শুনে কিনবে ।
আদিম কালে মানুষ অবাক হয়ে প্রকৃতি, আকাশ, পাহাড়, নদী, প্রাণী, ঘটনা এবং সর্বোপরি নিজের দিকে তাকাতো । বুঝতে চাইতো, জানতে চাইতো। কেন সে শিকারটি ধরতে পারলো না, কেন সে হিংস্র প্রানীর সাথে পেরে উঠছে না, কেন তার সহযোগী অন্য প্রাণীর খাবারে পরিণত হলো? কি করলে আরো বেশি খাবার যোগাড় করা যাবে? শিকার কিভাবে বেশি করা যায়? কি করলে আরো বেশি বাচ্চা জন্মানো যাবে? তাদের অকাল মৃত্যু কিভাবে রোখা যাবে? ঝড়-বৃষ্টি, রোদ-ঠান্ডা, আর হিংস্র প্রাণী থেকে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করা যায়? কিভাবে খাবার সংরক্ষণ করা যায়? এই সব প্রশ্নই মানুষকে আজকের অবস্থানে পৌঁছুতে সাহায্য করেছে । সবচেয়ে কম সময়ের মধ্যে অন্য সমস্ত আকারে, শক্তিতে বড় প্রাণীকে ধরাশায়ী করে নিজেকে শক্তিশালী আর শ্রেষ্ঠ বলে প্রমাণ করতে পেরেছে । প্রশ্ন আমাদের এগিয়ে যেতে সাহায্য করে । অজানাকে জানতে, রহস্য উন্মোচনে আর অধিকার ও শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে ।