শেখার মাধ্যমে অর্জিত ক্ষমতা যা আপনাকে সফলভাবে নির্দিষ্ট সময়ে, শক্তিতে বা দুটির সম্মিলনে নির্দিষ্ট ফলাফল অর্জন নিশ্চিত করে । দক্ষতা সাধারণত নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে চরম দক্ষ বা কোন বিষয়ের সাধারণ দক্ষ বোঝায় ।
সাধারণ বা সার্বজনিন বিষয়গুলো নিয়ে লেখা এ বিভাগের অর্ন্তভুক্ত
শেখার মাধ্যমে অর্জিত ক্ষমতা যা আপনাকে সফলভাবে নির্দিষ্ট সময়ে, শক্তিতে বা দুটির সম্মিলনে নির্দিষ্ট ফলাফল অর্জন নিশ্চিত করে । দক্ষতা সাধারণত নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে চরম দক্ষ বা কোন বিষয়ের সাধারণ দক্ষ বোঝায় ।
পরীক্ষামূলক অণুগল্প লেখার চেষ্টা । জীবন্ত বা মৃত বা বিগত বা আগত কারো সাথে মিলে গেলে তা একান্তই অনাকাঙ্খিত । কাউকে বিচার করা, ভালো বা মন্দ তুলে ধরা না । কাউকে উদ্দেশ্য করে তো অবশ্যই না । আমাদের আশে-পাশে ঘটা ঘটনা, কিছু পরিচিত, অপরিচিত, সাথে এক ফোঁটা কল্পনা মিশ্রিত করে গল্পের সূচনা ।
নিজের সুখের জন্য পৃথিবীতে আনা সন্তানের প্রতি তীর্থের কাকের মতো চেয়ে থাকে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়ার জন্য ।
আদর করে সন্তানকে কখনও কোন দায়িত্ব নিতে দেয়নি ।
যৌতুকের প্রতিবাদী নারিবাদী মেয়েটিও বিয়ের সময় বিশ লাখ টাকার কম কাবিনে বিয়ে করতে নারাজ ।
সিকিউরিটি বলে একটা বিষয় তো রয়েই যায় ।
ধর্মালয়ও টাকার বিনিময়ে পাপ মোচনের নিশ্চয়তা দেয় । অন্যরা তো অবশ্যই!
কিন্তু কেউ-ই টাকার পেছনে ঘুরা পছন্দ করে না, না ধর্মালয়, না প্রিয়তমা ।
সারা বছর নারী নির্যাতনের প্রতিবাদকারী নারীটিই জেনে-না-জেনে পুরুষ নির্যাতন করে !
একটা অতি দৃশ্যমান, আরেকটা ভয়ঙ্কর অদৃশ্যমান ।
জীবনে প্রেম-রোমান্স যেমন প্রয়োজন, পয়সা-পাত্তিও কম প্রয়োজনীয় না ।
তাই অনেকে দুটোর আলাদা আয়োজন করে । শ্রম-বন্টন ব্যবস্থা!
শারিরীকভাবে সুখী করতে না পারা মানুষটিও পার্টনারকে চরিত্র (হীন/হীনা) আখ্যা দিতে পিছ পা হয় না।
মন থেকে আসে না সেটা কি তার দোষ?
প্রেমিকের সাথে কক্সবাজার, কোয়াকাটা, সেইন্টমার্টিন ট্রিপ শেষে প্রেমিকা বলছে, “জানো? দিহান রাত ৩ টায় মাতাল হয়ে আমাকে ফোন দিয়ে কেঁদেছে আর বলেছে সে আমাকে ভালোবাসে”।
তুমি তো একটুও রোমান্টিক না, কাঠখোট্টা কোথাকার !
প্রেম-ভালোবাসার প্রতি অষ্টপ্রাণ আমরা সারাজীবন তা’ই ধ্যান-জ্ঞান করি ।
আর আফসোস করি, কেন যে সফল হতে পারছি না !
সমস্ত সোস্যাল মিডিয়ায় চার বার ব্লক দিয়ে সম্পর্কের ইতি টানা বালিকার শেষ বার্তা “তুমি ভালোবাসার কি বুঝো? কখনও আমাকে বুঝতে চেয়েছো?”
মোবাইল সেট গিফ্ট দেয়া নতুন প্রেমিকাকে “বাবু তুমি তোহ আমার সব বুঝো!” বলে ভিডিও চ্যাট শুরু করে!
দেখানোতে আমরা যতটা সন্তুষ্ট হই, সত্যিকার চেষ্টায় আমরা ততটাই উদাসীন ।
যে মানুষ যত বেশি দেখাতে পারে সে তত কাছের গণ্য করি ।
আদিম কালে মানুষ অবাক হয়ে প্রকৃতি, আকাশ, পাহাড়, নদী, প্রাণী, ঘটনা এবং সর্বোপরি নিজের দিকে তাকাতো । বুঝতে চাইতো, জানতে চাইতো। কেন সে শিকারটি ধরতে পারলো না, কেন সে হিংস্র প্রানীর সাথে পেরে উঠছে না, কেন তার সহযোগী অন্য প্রাণীর খাবারে পরিণত হলো? কি করলে আরো বেশি খাবার যোগাড় করা যাবে? শিকার কিভাবে বেশি করা যায়? কি করলে আরো বেশি বাচ্চা জন্মানো যাবে? তাদের অকাল মৃত্যু কিভাবে রোখা যাবে? ঝড়-বৃষ্টি, রোদ-ঠান্ডা, আর হিংস্র প্রাণী থেকে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করা যায়? কিভাবে খাবার সংরক্ষণ করা যায়? এই সব প্রশ্নই মানুষকে আজকের অবস্থানে পৌঁছুতে সাহায্য করেছে । সবচেয়ে কম সময়ের মধ্যে অন্য সমস্ত আকারে, শক্তিতে বড় প্রাণীকে ধরাশায়ী করে নিজেকে শক্তিশালী আর শ্রেষ্ঠ বলে প্রমাণ করতে পেরেছে । প্রশ্ন আমাদের এগিয়ে যেতে সাহায্য করে । অজানাকে জানতে, রহস্য উন্মোচনে আর অধিকার ও শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে ।