পরীক্ষামূলক অণুগল্প লেখার চেষ্টা । জীবন্ত বা মৃত বা বিগত বা আগত কারো সাথে মিলে গেলে তা একান্তই অনাকাঙ্খিত । কাউকে বিচার করা, ভালো বা মন্দ তুলে ধরা না । কাউকে উদ্দেশ্য করে তো অবশ্যই না । আমাদের আশে-পাশে ঘটা ঘটনা, কিছু পরিচিত, অপরিচিত, সাথে এক ফোঁটা কল্পণা মিশ্রিত করে গল্পের সূচনা ।
বাঙ্গালী কেবল প্রেম-ভালোবাসার পেছনে ছুটে, বিদেশীরা ছুটে সাফল্যের পেছনে । বিদেশীরা দু’টোই পায় ।
বাঙ্গালী কোনটাই পায় না ।
হারিয়ে যেতে চাই, দূরে কোথাও, এই সমাজ, সভ্যতা আর অকৃতজ্ঞ মানুষের কাছ থেকে ।
তুমি আসলে হারাতে চাও না, কেউ তোমাকে সত্যিকারভাবে খুঁজে পাW তা’ই চাও ।
আমি এ কাজ করতেই পারবো না । ভাবতেই ভয়ে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে!
দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে, আমি কেন অন্যদের মতো সুখি হতে পারি না!
ধনীদের গালাগালি করা আর অর্থের কুপ্রভাবের অন্ধ বিশ্বাসী ছেলেটা সারা রাত ছটফট করে কবে একটা চাকরি হবে ভেবে।
তারপরও স্বপ্ন দেখে নতুন একটা ফোন কেনার।
মন দেয়া উচিত তিরিশ এর পর আর শরীর দেয়া উচিত আঠারোয় ।
মনের অভিজ্ঞ, পরিপক্ক আর খোলাসা হওয়া প্রয়োজন, শরীরের শুধু শরীর প্রয়োজন ।
চরম বাধ্য-বাধকতা, ভয়, ব্যবহারিক জ্ঞানে শূন্য সন্তানের কাছে বিশ্ব জয়ের আশা ।
যেখানে সে তার নিজেকেই ঠিক মতো জানে না ।
প্রোফাইলে ‘একমাত্র আল্লাহ তে বিশ্বিাসী এবং আল্লাহই প্রিয়তম বন্ধু’ লেখা মেয়েটিও টিন্ডারে ফ্রেন্ড উইথ বেনিফিট খুঁজতে আসে ।
একটি নাস্তিককে ঈমানদার বানাতে পারলে বেহেস্ত কনফার্ম, আর যা’ই করি না কেন!
নিজের ব্যাপারে ধারণা নেই এমন মানুষও অন্যকে দাবিয়ে বেড়ায় তাকে জানার জন্য, বুঝার জন্য ।
তার দায়িত্ব বুঝার, তাকে বুঝতে হবে ।
সেক্স করেছিলাম তোমাকে পাবো বলে, কাজ শেষ আমার প্রতি আগ্রহও শেষ?
আমাকে পাবার জন্য যে সেক্স করে, যে কোন কিছু পাবার জন্যই তা ‘করতে পারে ।
তোমার অতি সাধারণ সুখের জায়গাটুকু, যা তুমি গোণায়ও ধরো না, হয়তো অন্য কারো স্বপ্নের পাওয়া ।
তোমার সুখের স্বপ্ন হয়তো অন্য কেউ অবহেলা করছে ।
